বিভক্তি মেটাতে তৎপর কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
বিক্ষুব্ধদের অভিযোগ, তৃণমূলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
অনেক আসনে বিদ্রোহী প্রার্থীর আশঙ্কা।
প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো ঢাকায়ও অন্তত তিনটি আসনে ক্ষোভ-বিক্ষোভ আছে। এর মধ্যে ঢাকা-১২ (সাইফুল আলম নীরব) ও ঢাকা-১৫ (শফিকুল ইসলাম খান) উল্লেখযোগ্য। তাঁদের নিয়ে দলের ভেতরে-বাইরে নানা আলোচনা আছে।
ঢাকার পার্শ্ববর্তী নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) ও নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁ) আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও মশালমিছিল করেছেন বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মীরা।
কুমিল্লার দুটি আসনে প্রার্থিতা নিয়ে বিক্ষোভ আছে। এর মধ্যে কুমিল্লা-৬ আসনে (সদর, সদর দক্ষিণ, সিটি করপোরেশন ও সেনানিবাস) মনিরুল হক চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে প্রায় প্রতিদিন কর্মসূচি করছেন আমিন-উর-রশিদ (ইয়াসিন)। দুজনই বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির কোন্দল বেশ পুরোনো। প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) এম আনোয়ার উল আজিম এবং বিএনপির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালামের (চৈতি কালাম) অনুসারীরা দুই ভাগে বিভক্ত।
আবুল কালামকে মনোনয়ন দেওয়ার পর মাঠে নামেন আনোয়ার উল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম (দোলা)। এলাকায় দুই পক্ষে সংঘাতও হয়। তারেক রহমানের হস্তক্ষেপে ঢাকায় বৈঠকের পর বিরোধের অবসান হয়। সামিরাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ সদস্য করার আশ্বাস দিয়ে ক্ষান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

Reporter Name 









