Dhaka , শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ এসিসির সভায় যোগ দিতে কুয়েতে গেলেন বুলবুল নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর হুঁশিয়ারি – ‘ভোট ডাকাতি হলে মির্জা আব্বাসের রাজত্ব খানখান করে দিবো’ সেনাবাহিনীর ভূমিকা এখন পর্যন্ত প্রশংসনীয়: জামায়াত আমির ভোটের ফলাফল নির্ধারণ করবে তিনটি বিষয়, বিএনপির জয়ের সম্ভাবনা বেশি কুমিল্লা-৩; মুরাদনগরে টাকা বিতরণের অভিযোগে জামায়াতের নেতা আটক রাজধানীতে প্রশান্তি হাসপাতাল লিমিটেড–এ ডা. এস এম আব্দুল আলিম–এর চিকিৎসার আড়ালে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের রাজত্ব স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের নতুন নাম ‘স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’ বাংলাদেশের নতুন রপ্তানি সম্ভাবনা ও সুযোগের দ্বার উন্মুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মানা না হলে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের

এসিসির সভায় যোগ দিতে কুয়েতে গেলেন বুলবুল

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 26

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠেয় এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিতে গত রাতে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন এবং আজ সকালে কুয়েতে পৌঁছান।

বিসিবির একজন পরিচালক গণমাধ্যমকে এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত এশীয় অঞ্চলের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সাম্প্রতিক সংকট নিরসনে সব দেশের ক্রিকেট প্রধানদের নিয়ে আয়োজিত এই সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। দুই দিনের সংক্ষিপ্ত এই সফর শেষে দ্রুতই তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

এবারের এসিসি সভাটি এশীয় ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিরাপত্তা বা রাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশ অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর ক্রিকেট বিশ্বে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়।

 

সেই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে বাইরে রেখেই টুর্নামেন্ট শুরু হলেও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বাংলাদেশের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর অনুরোধে পাকিস্তান সেই কঠোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে পিসিবিকে মাঠে নামার জন্য ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ করেছিলেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সিদ্ধান্তে জানানো হয়েছে যে, বাংলাদেশসহ অন্যান্য ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশগুলোর ইতিবাচক বার্তার প্রেক্ষিতেই তারা ভারতের বিপক্ষে খেলতে রাজি হয়েছে। বিসিবি সভাপতির এই কূটনৈতিক তৎপরতা এশীয় ক্রিকেটের সংহতি বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

কুয়েতের এই সভায় আমিনুল ইসলাম বুলবুল বাংলাদেশের ক্রিকেটের অবস্থান যেমন পরিষ্কার করবেন, তেমনি এশীয় দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করবেন। বাংলাদেশের ক্রিকেট বর্তমানে এক ক্রান্তিকাল পার করলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিসিবির এই সক্রিয় অংশগ্রহণ ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আগামীকাল সভার দ্বিতীয় দিন শেষে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তের ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিসিবি সভাপতির এই সফরের দিকে তাকিয়ে আছেন দেশের ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা, কারণ এসিসির এই বৈঠকেই নির্ধারিত হতে পারে আগামী কয়েক বছরের আঞ্চলিক ক্রিকেটের ক্যালেন্ডার ও ইভেন্টসমূহ।

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের দেশে ফেরার পর এই সভার অর্জন এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ

এসিসির সভায় যোগ দিতে কুয়েতে গেলেন বুলবুল

Update Time : ০৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠেয় এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিতে গত রাতে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন এবং আজ সকালে কুয়েতে পৌঁছান।

বিসিবির একজন পরিচালক গণমাধ্যমকে এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত এশীয় অঞ্চলের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সাম্প্রতিক সংকট নিরসনে সব দেশের ক্রিকেট প্রধানদের নিয়ে আয়োজিত এই সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। দুই দিনের সংক্ষিপ্ত এই সফর শেষে দ্রুতই তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

এবারের এসিসি সভাটি এশীয় ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিরাপত্তা বা রাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশ অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর ক্রিকেট বিশ্বে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়।

 

সেই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে বাইরে রেখেই টুর্নামেন্ট শুরু হলেও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বাংলাদেশের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর অনুরোধে পাকিস্তান সেই কঠোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে পিসিবিকে মাঠে নামার জন্য ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ করেছিলেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সিদ্ধান্তে জানানো হয়েছে যে, বাংলাদেশসহ অন্যান্য ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশগুলোর ইতিবাচক বার্তার প্রেক্ষিতেই তারা ভারতের বিপক্ষে খেলতে রাজি হয়েছে। বিসিবি সভাপতির এই কূটনৈতিক তৎপরতা এশীয় ক্রিকেটের সংহতি বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

কুয়েতের এই সভায় আমিনুল ইসলাম বুলবুল বাংলাদেশের ক্রিকেটের অবস্থান যেমন পরিষ্কার করবেন, তেমনি এশীয় দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করবেন। বাংলাদেশের ক্রিকেট বর্তমানে এক ক্রান্তিকাল পার করলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিসিবির এই সক্রিয় অংশগ্রহণ ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আগামীকাল সভার দ্বিতীয় দিন শেষে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তের ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিসিবি সভাপতির এই সফরের দিকে তাকিয়ে আছেন দেশের ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা, কারণ এসিসির এই বৈঠকেই নির্ধারিত হতে পারে আগামী কয়েক বছরের আঞ্চলিক ক্রিকেটের ক্যালেন্ডার ও ইভেন্টসমূহ।

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের দেশে ফেরার পর এই সভার অর্জন এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।